সিনেমা ৪ডি কি এবং কেন – সিনেমা ৪ডি রিভিউ

সিনেমা ৪ডি (একটি থ্রিডি টুলস/অ্যাপ্লিকেশন/প্রোগ্রাম)! অসাধারন এই প্রোগ্রামটি কবে আবিষ্কৃত হয়েছে কিংবা কে সর্বপ্রথম এটি বানাতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন তা জানাতে আসিনি। এসেছি সিনেমা ৪ডি আমার কেমন লাগে এবং কেন আমার চোখে এটা সেরা তা জানাতে।

সিনেমা ৪ডির ভাষ্যমতে – 

Professional 3D tools have never been easier to use, while simultaneously delivering a high-end feature set.

 

ম্যাক্সন (Maxon) কোম্পানীর অন্তর্ভুক্ত Cinema 4D সফটওয়্যারটি থ্রিডি অর্থ্যাৎ ত্রিমাত্রিক মডেলিং, টেক্সচারিং, মোশন গ্রাফিক্স এবং অ্যানিমেশনের জগতে এক ভয়ংকর সহজ সফটওয়্যার। এর বর্তমান ভার্সন হচ্ছে Cinema 4D R19, যেখানে আপনি সিনেমা ৪ডির পাঁচটি ভিন্ন স্বাদের সফটওয়্যার পাচ্ছেন। এগুলো হল,

Cinema 4D Studio
Everything You Need For High-End 3D

Cinema 4D Broadcast
The 3D Motion Graphics Powerhouse

Cinema 4D Visualize
The Professional Solution for Architects & Designers

Cinema 4D Prime
Professional 3D Starts Here

আপনি আপনার সুবিধা মত যেকোনো প্যাকেজের অর্ডার দিতে পারেন। কিংবা চাইল পুরো প্যাকেজ অর্থাৎ রিলিজ কিনতে পারেন। আগেই বলেছি বর্তমানে R19 অর্থ্যাৎ রিলিজ ১৯ চলছে। এর প্রত্যেকটি ভার্সন/রিলিজই আমার অসম্ভব পছন্দের।

সিনেমা ৪ডি তে চতুর্থ মাত্রা বলতে আসলে অ্যানিমেশন প্যানেল অর্থাৎ টাইমলাইন কে বোঝানো হয়েছে। বাকি ৩ মাত্রা সম্পর্কে সবাই-ই জানেন। হ্যাঁ, দৈর্ঘ্য, উচ্চতা এবং পুরুত্ব অর্থাৎ সফটওয়্যারের ভাষায় X, Y, Z।


কেন সিনেমা ৪ডি?

ব্যবহার করা খুবই সহজ

সিনেমা ৪ডিতে যেকোন কিছু তৈরি করা খুবই সহজ। সিনেমা ৪ডি’র সহজবোধ্য টুলস এবং সুন্দরভাবে লজিক্যালি সাজানো ইন্টারফেস আপনাকে একটা আরামদায়ক অনুভূতি এনে দিবে। সিনেমা ৪ডি খুব বেশি পরিমানে বিগিনার ফ্রেন্ডলি। ১ ঘন্টার একটা ট্রেইনিং ভিডিও দেখলেই আপনি সিনেমা ৪ডি দিয়ে ঘর-বাড়ি আর রাস্তা-ঘাট বানিয়ে ফেলতে পারবেন। আর যেখানে বিগিনারদের জন্য এত সহজ তাহলে একবার ভাবুন প্রফেশনালদের জন্য সেটা কত সহজ!

সুন্দরভাবে সাজানো ইন্টারফেস

সিনেমা ৪ডি আকর্ষণীয় একটি দিক হল এর সহজবোধ্য ইন্টারফেস। আপনি যদি সিনেমা৪ডিতে কাজ শুরু করেন কিছুদিন কাজ করার পরই বুঝতে পারবেন যে সিনেমা৪ডি বেশ পরিশ্রম করেছে মেন্যুগুলো এবং বিভিন্ন ফাংশনগুলো অ্যারেঞ্জ করার ক্ষেত্রে। আর যদি অন্যান্য থ্রিডি সফটওয়্যার যে থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স কিংবা মায়া থেকে সিনেমা ৪ডি তে আসেন তাহলে সিনেমা৪ডি তে ঢুকার মিনিটখানেকের মাথায় টের পাবেন যে যেটা যেখানে থাকার কথা সেটা সেখানেই আছে। বিশেষ করে থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্সের ফাংশনগুলি বেশ এলোমেলো অবস্থায় আছে, তাদের মধ্যে যারা থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স থেকে সিনেমা ৪ডিতে এখন পর্যন্ত এসেছেন, অনেকেই সিনেমা ৪ডি কমিউনিটি বা ফোরামগুলোতে স্বীকার করেছেন যে এর ইন্টারফেসের সহজবোধ্যতার কথা।

অসাধারন হেল্প/টিউটোরিয়াল সেকশন

সিনেমা ৪ডি’র ম্যানুয়ালের কথা আর কি বলব, প্রফেশনালরা পর্যন্ত এই সিস্টেমটাকে প্রচুর ব্যবহার করেন। প্রত্যেকটা অপশন বা ফাংশনের উপর রাইট ক্লিক করলে নিচের দিকেই পাবেন হেল্প মেন্যু। ওটাতে ক্লিক করলে যে ফাংশনের উপর ক্লিক করেছেন তার ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারেন। তাদের পুরো হেল্প সিস্টেম প্রচুর পরিমানে ইমেজে ঠাসা। লেখা দিয়ে বুঝানোর সাথে সাথে অসংখ্য বিষয় আছে যা তারা ইমেজ দিয়ে উদাহরন হিসেবে ব্যবহার করেছে। যেখানে প্রয়োজন তারা সেখানে দেখিয়ে দিয়েছে যে এই এই ফাংশনটি কোন কোন ক্ষেত্রে কার্যকর বা অমুক ফাংশনের সাথে তমুক ফাংশন কিভাবে ম্যাচ করিয়ে আপনি আপনার কাঙ্খিত রেজাল্ট পেতে পারেন।

মোগ্রাফ টুলস (Mograph Tools)

সিনেমা ৪ডি তে মোশন গ্রাফিক্সের কাজ করার জন্য MoGraph নামে একটা মডিউল আছে যেটা দিয়ে এত অসাধারন মোশন গ্রাফিক্সের কাজ করা যায় যে আপনি কাজ গুলো দেখে অবাক হবেন। আমার দৃষ্টিতে শুধু এটুকু বলতে পারি মোশন গ্রাফিক্সের জগতে সিনেমা ৪ডির বিকল্প কিছু নেই। বর্তমানে বেশিরভাগ ব্রডকাস্ট ডিজাইনও সিনেমা ৪ডি দিয়ে করা হয়ে থাকে। দিন দিন সিনেমা ৪ডির ব্যবহারকারী বাড়ছে। যারা সবসময় মোশন গ্রাফিক্সের কাজ করেন অন্যান্য সফটওয়্যারে, তারা ধীরে ধীরে সিনেমা ৪ডি তে চলে আসছেন। এই মোগ্রাফ মডিউল আপনাকে যত সুবিধা দিবে এবং যত সহজে দিবে তা আপনি অন্য কোন সফটওয়্যারে সহজে পাবেন না। বিশেষ করে সিনেমা ৪ডি তে Cloner দিয়েই অনেক কাজ করা যায়। ক্লোনার হচ্ছে যেকোন অবজেক্টকে কপি করার ফাংশান। এখানে বলে রাখা ভালো অ্যারে (Array) টুলস (অ্যারে টুলস সাধারনত অবজেক্টকে কপি করে এবং কপিকৃত অংশ কিভাবে ট্রান্সফর্ম সে ব্যাপারে কাজ করে) প্রায় সব সফটওয়্যারেই আছে কিন্তু Cloner এর প্রতিদ্বন্দী সে নিজেই। তাছাড়া সিনেমা ৪ডি তেও অ্যারে টুলস আছে। ক্লোনারে আপনি লিনিয়ার মোডে যেকোন অবজেক্টকে ক্লোন করতে পারেন, রেডিয়াল মোড, গ্রিড অ্যারে (Grid Array) মোড, এমনকি অবজেক্ট মোডেও ক্লোন করতে পারেন। অবজেক্ট মোডে প্রচুর কাজ করা যায় যেমন ম্যাগনেটম্যান (একটি কাল্পনিক হলিউড স্টাইলে বাংলাদেশী ছবি) অর্থাৎ চৌম্বকমানব এক জায়গায় দাড়িয়ে আছে এবং সে কিছুক্ষন পর তার দুই হাতের মুঠো একত্র করে তার চৌম্বকীয় শক্তি অ্যাকটিভেট করল। আশে পাশে যত ধাতু আছে সবগুলো দড়াম করে একের পর এক তার গায়ে এসে আটকে যেতে লাগল। এই জিনিসটি আপনি মোগ্রাফ মডিউলের সাহায্যে ক্লোনার, ইনহেরিটেন্স ইফেক্টর ইত্যাদির সাহায্যে খুব সহজেই করতে পারেন। অথচ অন্যান্য সফটওয়্যারে এই জিনিস পার্টিকলসের কঠিন কঠিন ফিচারের মাধ্যমে করতে হয়। চাইলে সিনেমা ৪ডিতেও পার্টিকলসের মাধ্যমে করতে পারেন। এসব ব্যাপারে সিনেমা ৪ডি সবসময় সব ব্যাপারে এক ধাপ এগিয়ে।

মডেলিং টুলস (Modeling Tools)

মডেলিং টুলস.. অন্য সব সফটওয়্যারের মডেলিং টুলসের চাইতে সিনেমার ৪ডি মডেলিং টুলস কিছুটা হলেও উন্নত। মডেলিং টুলস সম্পর্কে আমি তেমন কিছু বলবো না কারন আমি অ্যাবস্ট্রাক্ট মডেলিং ছাড়া এখনো তেমন বিশেষ কিছু করিনি শুধু একটা বালিশ মডেলিং ছাড়া। তবে আমি যতটুকু ঘেটেছি তাতে করে আমার মনে হয়েছে মডেল তৈরির ক্ষেত্রেও সিনেমা ৪ডি আপনাকে অনেক সুবিধা দিবে এবং কিছু বিশেষ সুবিধাও দিবে যেগুলো আপনি অন্য কোন সফটওয়্যারে পাবেন না।

ডায়নামিকস (Dynamics Tools)

ডায়নামিকস.. ডায়নামিকস হচ্ছে ফিজিক্স; মানে উপর থেকে কিছু জিনিস আপনি ফ্লোরের উপর ফেলে দিলে সেগুলো ফিজিক্সের সূত্র মেনে চলে নিজেদের সাথে ধাক্কা খেতে খেতে ফ্লোরে পড়ে এবং পড়েই যার যার স্বভাব অনুযায়ী বাউন্স করে। অর্থাৎ পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রানুযায়ী পদার্থ গুলো রিঅ্যাক্ট করে। আপনি জেনে অবাক হবেন যে সিনেমা ৪ডি তে মাত্র এক ক্লিকেই আপনি ডায়নামিকস চালু করতে পারেন। তেমন কিছু না জাষ্ট প্রথমে কিছু অবজেক্ট/মডেল তৈরি করবেন, একটা ফ্লোর তৈরি করবেন এরপর ফ্লোর আর অবজেক্ট গুলো সিলেক্ট করে জাস্ট সিমিউলেশন মেন্যু থেকে Rigid Body অপশনটি চালু করে দিবেন। ব্যস, বুদ্ধিমান সফটওয়্যার ঠিক ঠিক বুঝে নেবে কোনটা ফ্লোর আর কোনটা ফ্লোরে পড়ে রিঅ্যাক্ট করবে।

টেক্সচারিং/ম্যাটেরিয়ালস (Texturing Tools)

এরপরে ম্যাটেরিয়াল বা টেক্সচারিং এ আসুন; জিনিসটা এত সুন্দর করে সাজানো আছে যে কি বলবো। ম্যাটেরিয়ালের বিভিন্ন অপশন যেমন কালার, লুমিনেন্স, ট্রান্সপারেন্সি, রিফ্লেকশন, এনভায়রনমেন্ট, গ্লো, বাম্প, ডিসপ্লেসমেন্ট ইত্যাদি সব কিছু খুব সুন্দর করে সাজানো আছে। এগুলো অন্যান্য সফটওয়্যারেও আছে আমি স্বীকার করছি কিন্তু ওগুলোতে ম্যাটেরিয়ালের সামান্য গভীরে গেলেই ঝামেলা বেধে যায় যে কোনটা কোন অপশনের সাথে যুক্ত। সিনেমা ৪ডি তে এই প্যারেন্টিং এর ব্যাপারটা অত্যন্ত যত্ন করে বানানো বা সাজানো হয়েছে যাতে করে আপনি অনেক অ্যাডভান্স ম্যাটেরিয়াল খুব সহজে তৈরি করতে পারেন। সিনেমা ৪ডির লাইব্রেরীতে প্রচুর ম্যাটেরিয়াল (Material) এবং শেডার (Shader) দেওয়া আছে ডিফল্ট ভাবে। তা সেটা সংখ্যায় কয়েক হাজার তো হবেই।

বডিপেইন্ট থ্রিডি (Bodypaing 3D – Texture Painting Tool)

কমপ্লেক্স মডেল/জিনিস টেক্সচারিং এর জন্য আপনি সিনেমা ৪ডির সাথে ডিফল্টভাবে দেওয়া বডিপেইন্ট ৩ডি ব্যবহার করতে পারেন। এতে UVW আনর‍্যাপিং এর জন্য বিশেষ অনেক গুলো সুবিধা আছে এবং চাইলে ফটোশপের ব্রাশ দিয়ে এবং ফটোশপের লেয়ারের মত করে আপনি কাজ করতে পারেন অর্থাৎ পেইন্টিং/টেক্সচারিং করতে পারেন।

অন্যান্য জিনিস

ক্যামেরা অ্যানিমেশন, টার্গেট ক্যামেরা, লাইট-শ্যাডো ইত্যাদি অনেক সহজ করেছে সিনেমা ৪ডিতে। কিফ্রেম ছাড়াই Xpresso (Visual Node Based Programing) দিয়ে অনেক জটিল ক্যামেরা অ্যানিমেশন করা যায়। যদিও এই জিনিসটা অন্যান্য সফটওয়্যারে অনেক কঠিন এবং সত্যি বলতে কি সিনেমা ৪ডিতে এক্সপ্রেসো জিনিসটা কিন্তু খুব একটা সহজ নয় কিন্তু যিনি একবার এটা বুঝে যাবেন তিনি এটাকে কখনোই ছাড়বেন না।

অনু-পরমাণু (Particles)

পার্টিকলস; হ্যাঁ এই জিনিসটাতেও সিনেমা ৪ডি এগিয়ে। অন্যান্য সফটওয়্যারের ডিফল্ট পার্টিকলস সিস্টেম আর সিনেমা ৪ডির ডিফল্ট পার্টিকলস সিস্টেম প্রায় একই। কিন্তু হলিউড ফিল্ম ্ ইন্ডাস্ট্রিতে বেশিরভাগ থ্রিডি ডিজাইনাররা পার্টিকলসের জন্য থার্ড পার্টি প্লাগ ইন ব্যবহার করেন। এবং এই ক্ষেত্রে Thinking Particles বর্তমানে সবার সেরা প্লাগিন। মজার ব্যাপার হচ্ছে এই থিংকিং পার্টিকলস আপনাকে সিনেমা ৪ডি ডিফল্টভাবেই দিয়ে দেয়, আলাদা ভাবে কিনতে হবেনা কিংবা আলাদাভাবে ইন্সটলও করতে হবেনা।

রেন্ডারিং/রেজাল্ট (Rendering Tools)

আপনি কি বানিয়েছেন তা ফুল কোয়ালিটিতে দেখতে চাইবেন না? এটাকে আমরা মূলত রেন্ডারিং বলি। থ্রিডি সফটওয়্যারগুলো বেশ ভারি হয়ে যায় বড় প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে গেলে, সেজন্য আমাদেরকে কোয়ালিটি কমিয়ে দিয়ে অনেকটা কার্টুন মোডে কাজ করতে হয়, এরপর সেটাকে রেন্ডার বা এক্সিকিউট করে ফাইনাল কোয়ালিটি দেখতে হয় কেমন হল। সিনেমা ৪ডি’র ডিফল্ট রেন্ডারার আপনাকে যতটুকু রিয়েলিস্টিক রেজাল্ট দিতে পারবে অন্য কোন থ্রিডি সফটওয়্যারের ডিফল্ট রেন্ডারিং প্রোগ্রাম আপনাকে ততটুকু রিয়েলিস্টিক রেজাল্ট দিতে পারবে কিনা সেব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অন্যান্য সফটওয়্যারে থার্ড পার্টি সফটওয়্যার অর্থাৎ প্লাগ ইন ব্যবহার করতে হয় যেমন মেন্টাল রে, ভি-রে (বর্তমানে পৃথিবীতে সবার সেরা রেন্ডারার), ম্যাক্সওয়েল, ব্রাজিল, রেন্ডারমেন ইত্যাদি। সিনেমা ৪ডি তে বাড়তি রেন্ডারার ও দেওয়া আছে যেমন ফিজিক্স রেন্ডারার এবং সিনেম্যান। এগুলোর গুনগত মান ভি-রে রেন্ডারারের মতই। ভি-রে কিন্তু অনেক স্লো। প্রচুর র্যাম এবং উচ্চমানের এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড দিয়েও ভি-রে সবচেয়ে রিয়েলিস্টিক রেন্ডারিং দিতে অনেক সময় নেয়। সে জায়গায় সিনেমা ৪ডির এই বাড়তি দুই রেন্ডারার দিয়ে আপনি ভি-রের চেয়ে অনেক কম সময়ে অনেক অসাধারন রেন্ডারিং দিতে পারেন। আর আপনার যদি ভি-রের উপর বিশেষ দুর্বলতা থাকে তাহলে আপনি চাইলে ভি-রেও ব্যবহার করতে পারেন প্লাগ ইন হিসেবে। মানে এখানেও সিনেমা ৪ডি এগিয়ে।

সিনেমা ৪ডি তে কোন কিছু ভাঙ্গার জন্য ডিফল্টভাবেই তিন চারটা ফাংশান দেওয়া আছে। এরপরেও আপনি চাইলে প্লাগ ইন দিয়ে ভাঙতে পারেন। এরজন্য ফ্রি প্লাগ ইন ও আছে ভুরি ভুরি যেমন, Nitroblast, Explode, Thrausi, Xbreaker ইত্যাদি। তাছাড়া অন্যান্য ধরনেরও প্রচুর প্লাগ ইন আছে যেগুলো অনেক অসাধারন কাজ করতে সক্ষম এবং ফ্রি। কমার্শিয়াল প্লাগ ইনও প্রচুর আছে।

উপরের ভিডিওগুলো দেখে যদি এখনও আপনার মাথা নষ্ট না হয়, তাহলে নিচে অন্যান্য ডিজাইনারদের কিছু ভিডিও দিচ্ছি যেগুলো সিনেমা ৪ডিতে করা, দেখে নিন।

অনেক তো দেখলেন, মাথা যদি নষ্ট হয়ে থাকে তাহলে তো হলই, আর যদি এখনও সুস্থ থাকেন তাহলে নিচের টিউটোরিয়াল ওয়েবসাইট গুলো আপনারই জন্য।

উপরে যেসকল ওয়েবসাইট দিলাম.. এগুলোর টিউটোরিয়াল দেখে শেষ করতে পারবেন না। তারপরেও যেকোন সমস্যায় আমি আছি নো প্রবলেম। অনেক বড় লেখা লিখে ফেললাম, যদিও আরও বড় করে লেখা দরকার এরকম আর্টিকেল, অনেক পয়েন্ট লিখা বাকি এখনো। যাই হোক, ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি। ধন্যবাদ।

আশা করি আপনার কাজে লেগেছে আর্টিকেলটি। আপনার পরিচিত অন্য কারও কাজে লাগতে পারে সেজন্য অবশ্যই অন্যদের সাথে ফেসবুকে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। জ্ঞান বিতরন করলে সবসময় বাড়ে, কখনও কমে না। ভাল থাকুন।

লেখক সম্পর্কে

শিমুল

নেশায় ও পেশায় গ্রাফিক ডিজাইনার। তবে নেশাটা ছড়িয়ে গেছে ফটোগ্রাফি, থ্রিডি মডেলিং, লেখালেখি এবং ঘুরাঘুরিতেও। কাজ থাকুক আর নাই থাকুক সারাদিন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করি। এছাড়া মাঝে মাঝে গ্রাফিওরাতে আড্ডা দেই।

Recent Posts

Recent Comments

Archives

Categories

Pin It on Pinterest

Shares
Share This