দুঃস্বপ্ন – (আমার লেখা একটা মাথা-নষ্ট কবিতা)

দ্বার রুদ্ধ করে দিয়ে লিখেছিলেম কবিতা,
বাতায়ন দিয়ে দেখে হেসেছিল সবিতা।
বহ্নিতে কবিতাটি ফেলে দিয়ে আমি তাই
নেত্রকোণে চেয়ে আছি পুড়ে পুড়ে হল ছাই।
হোমাগ্নি থেমে গেলে আধিঁয়ারে দাড়ালাম,
দোপাণি বাড়িয়ে দিয়ে অজানাতে চললাম।

দরজাটা খুজে পেতে খুলে আমি দাড়িয়ে-
অহন হারিয়ে গেছে অবনীকে মাড়িয়ে।
রমনীয়, তাই চেয়ে আছি ক্ষণদার ব্যোম
থেকে থেকে কেন জানি হেসে ওঠে সোম।
দৈবাৎ কি মনে হতে সোমকে জিজ্ঞাসিলে-
কি শুরু করলে ভাই তুমি আর ভানু মিলে?
হেসেই হেসেই এমন এক কথা বলল সোম,
আতঙ্কে দাড়িয়ে গেল কায়ার সব রোম।

বাহুতে মশাল নিয়ে ঢুকলাম নিকেতনে,
কাপছে বক্ষ মোর আতঙ্কে ক্ষণে ক্ষণে,
যে কবিতা আপনভুজে দিয়েছিলেম পোড়া,
সেই কবিতা দেখে মোর অক্ষি ছানাবড়া।
আননের ঘুর্নিঝড়ে থেমে যায় হুশ-
অবচেতন মন বলে আমি কাপুরুষ।

ভেংঙ্গে যায় দুঃস্বপ্ন, ভেঙ্গে যায় ঘুম
দুঃস্বপ্ন! ভেবে আমি আক্কেল গুড়ুম।
দেখতাম যদি এমন কিছু বাস্তবে স্বনয়নে-
ত্রাস নিয়ে পালাতাম চির-সুখ-শয়নে।

এই কবিতা পড়ে আমাদের বাংলা ম্যাডাম আমাকে বাসায় নিয়া নাস্তা খাইয়েছিলেন। বাসায় গিয়া তিনি অবশ্য ব্যোম এবং অহন শব্দ দুইটির অর্থ জানতে চেয়েছিলেন। ক্লাসে সবার সামনে আর জানতে চান্‌নি।
আপনাদের বুঝতে কোথাও সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।

লেখক সম্পর্কে

শিমুল

নেশায় ও পেশায় গ্রাফিক ডিজাইনার। তবে নেশাটা ছড়িয়ে গেছে ফটোগ্রাফি, থ্রিডি মডেলিং, লেখালেখি এবং ঘুরাঘুরিতেও। কাজ থাকুক আর নাই থাকুক সারাদিন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করি। এছাড়া মাঝে মাঝে গ্রাফিওরাতে আড্ডা দেই।

Recent Posts

Recent Comments

Archives

Categories

Pin It on Pinterest

Shares
Share This