কিভাবে গ্রাফিকরিভারে আপলোড করবেন? স্টেপ বাই স্টেপ টিউটোরিয়াল।

এনভাটোতে প্রোডাক্ট আপলোড করা আসলে তেমন একটা কঠিন কিছু নয়। তাছাড়া যা যা আপলোড করা দরকার সেটা আপলোড ফর্মের বিভিন্ন অপশনেই বলে দেয়া আছে। তারপরও আসুন আমাদের মাতৃভাষায় জেনে নেই আপলোড করার ধাপসমূহ…!

এনভাটোতে দুইভাবে প্রোডাক্ট আপলোড করা যায়, ব্রাউজারে সাধারন আপলোডিং এর মাধ্যমে এবং এফটিপি ক্লায়েন্ট (FTP Client) এর মাধ্যমে। নিম্নে আমরা সাধারন আপলোড প্রক্রিয়া বর্ণনা করব গ্রাফিকরিভারের জন্য। থীমফরেস্ট ইউজারদের জন্য আপলোড টিউটোরিয়ালের প্রয়োজন নেই অতটা, ডেভেলপাররা বেশ স্মার্ট হয়ে থাকেন এইসব ফর্ম ফিলাপের ক্ষেত্রে।

আপলোডগ্রাফিকরিভারে আপলোড করার প্রথম ধাপ

যাই হোক, আমরা গ্রাফিকরিভারে একটি প্রিন্ট টেমপ্লেট (মনে করেন বিজনেস কার্ড) আপলোড করব, সেজন্য আপনাদেরকে গ্রাফিকরিভারের আপলোড মেন্যুতে যেতে হবে। অথবা আপনি চাইলে আপনার অথোর ড্যাশবোর্ড থেকেও আপলোড করতে পারেন। আপলোড মেন্যুতে যাওয়ার পর আপনাকে Select a Category ড্রপডাউন মেন্যুতে ক্লিক করে যেকোন একটা ক্যাটেগরী সিলেক্ট করতে হবে। যেহেতু আমরা বিজনেস কার্ড আপলোড করব সেহেতু আমাদেরকে Print Templates সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করার পর Next বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর যে পেইজ আসবে তাতে অনেকগুলো বক্স দেখতে পাবেন এবং লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন বক্সগুলো ৬টি ভাগে ভাগ করা। Name & Description, Files, Category & Attributes, Tags, Set Your Price (US$), Message to the Reviewer।

নেম এন্ড ডেসক্রিপশননাম এবং বর্ণনা

Name & Description এ দু’টো অপশন দেখতে পাবেন, একটা হচ্ছে Name, এখানে আপনার প্রোডাক্টের নাম লিখবেন, যেমন – Travel Agency Brochure; লক্ষ্য রাখবেন নামের প্রতিটি শব্দের প্রথম অক্ষর যেন ক্যাপিটাল লেটার হয়। অর্থাৎ Travel agency brochure, travel agency brochure, TraVeL aGenCY bRocHuRe এইসব স্টাইলে নাম লিখতে পারবেন না। আপনি সর্বোচ্চ্য ১০০ অক্ষরের নাম লিখতে পারবেন। এরপর Description অংশে আপনার প্রোডাক্টের বিবরন লিখবেন। আপনার প্রোডাক্টের বিভিন্ন সুবিধাসমূহ, কয়টা পিএসডি বা এআই কিংবা ইনডিজাইন ফাইল আছে কিংবা কয়টা .abr, .atn, .eps .jpeg ইত্যাদি বিভিন্ন ফাইল দেওয়া আছে তা লিখবেন। আপনি যদি পিএসডি ফরমেট দিয়ে থাকেন তাহলে সেখানে লেয়ার কি আলাদা আলাদা দেওয়া আছে নাকি ফ্লাটেন করা, হেল্প গাইড দেওয়া আছে কি নেই, ডিজাইনে যেসব ফন্ট ব্যবহার করেছেন সেগুলোর নাম এবং লিংক ইত্যাদি বিভিন্ন বর্ণনা লিখবেন। মনে রাখবেন আপনি যত সুবিধা দিবেন ক্লায়েন্ট কে, আপনার ডিজাইন বিক্রির সম্ভাবনা তত বেড়ে যাবে। এবং অবশ্যই অবশ্যই যত সুন্দর করে বানান ভুল ছাড়া লিখতে পারেন সে চেষ্টা করবেন।

উপরের ছবিতে হাইলাইট করা অংশে বলাই আছে, তারপরও বলি – এই ডেসক্রিপশনে যা যা লিখবেন তা কিন্তু সার্চ করার ক্ষেত্রে কাজে লাগে। এমনকি এটা গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের জন্যও বেশ দরকারী। যত বেশি টেক্সট দিতে পারবেন তত আপনার জন্য ভাল। লোকজন সহজেই আপনার প্রোডাক্ট খুজে পাবে।

 

ফাইল আপলোডমেইন ফাইল এবং প্রিভিউ আপলোড

এবার Files অংশে তিন ধরনের ফাইল আপলোড করবেন। আপনার প্রোডাক্টটি দেখতে কেমন তা ক্লায়েন্টকে দেখানোর জন্য ৫৯০পিক্সেল ওয়াইডথ এর এবং যেকোন হাইটের একটি প্রিভিউ ইমেজ বানাতে হবে। প্রিভিউ অবশ্যই জেপিজি ফরমেটের হতে হবে। প্রিভিউ বানিয়ে সেভ করার সময় লক্ষ্য রাখবেন ইমেজের ফাইল সাইজ যাতে কম হয়। চেষ্টা করবেন ১ মেগাবাইট বা ৫০০ কিলোবাইটের নিচে নামিয়ে আনতে। ফটোশপের Save for Web কমান্ডটা কাজে লাগাতে পারেন। ইমেজ কোয়ালিটি ঠিক রেখে কিংবা সামান্য ছাড় দিয়ে ইমেজের ফাইল সাইজ অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারেন। এতে করে আপনার প্রিভিউ ইমেজটি দ্রুত লোড হবে। লোড হতে দেরি হলে তো বুঝতেই পারছেন, কাস্টমার হারাবেন।

এরপর ৮০x৮০ পিক্সেলের একটা থাম্বনেইল বানাতে হবে। থাম্বনেইল জেপিজি কিংবা পিএনজি যেকোন ফরমেটের হতে পারে।

এরপর আপনার মূল ডিজাইনটি (যা ক্লায়েন্ট ডাউনলোড করবে) এবং এর সাথে অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন হেল্প গাইড, ফন্ট ইনফো ইত্যাদি একটা জিপ ফাইলে রাখতে হবে। আপনি যদি রার ফাইল তৈরি করেন তাহলে কিন্তু হবে না। এমনকি উইনরার দিয়ে জিপ করলেও হবেনা, এনভাটোর সার্ভার এধরনের জিপ ফাইল আনকম্প্রেস করতে পারেনা। জিপ করতে চাইলে ফাইলগুলো সিলেক্ট করে যেকোন একটা ফাইলের উপর রাইট ক্লিক করে Send to >> Compressed (zipped) folder এ ক্লিক করতে হবে। তাহলেই আপনার ডিজাইনের পিএসডি ফাইল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো জিপ হয়ে যাবে। এরপর জিপ ফাইলটিকে রিনেম করে “Main” লিখতে হবে। তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন, পিএসডি/ইনডিজাইন/এআই ইত্যাদি ফাইলে যদি আপনি বিভিন্ন মডেল বা স্টক ছবি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপলোড করার আগে সেখান থেকে ওই ছবিগুলো রিমুভ করে নেবেন। শুধুমাত্র প্রিভিউ ইমেজে মডেলদের ছবিযুক্ত ডিজাইন শো করতে পারেন। কারন ক্লায়েন্ট কে একটা ধারনা দিতে হবে যে যখন বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করা হবে তখন ডিজাইনটা দেখতে কেমন হবে। এটুকুই, মেইন ডাউনলোডেবল ফাইলে কখনই স্টক ছবি অ্যাড করতে পারবেন না।

এরপর আপনি উক্ত তিনটি জিনিস অর্থাৎ Preview Image, Thumbnail, Main এই তিনটি জিনিস আপলোড করবেন Choose File নামক নীল বাটনে ক্লিক করে। অনেক সময় এই নীল বাটনটি ঠিকমত লোড হয় না স্লো ইন্টারনেট কানেকশনের জন্য, এক্ষেত্রে কয়েকবার রিফ্রেশ দিয়ে নিলে আশা করি বাটনটি পেয়ে যাবেন। ফাইল গুলো আপলোড হবার পর Preview Image এ ক্লিক করে প্রিভিউ ইমেজটি সিলেক্ট করে দিতে হবে। এভাবে থাম্বনেইল ও মেইন ফাইলের পাশের বক্সগুলোতে উক্ত ফাইলগুলি সিলেক্ট করে দিতে হবে।

Preview Image Set – এই অংশটি অপশনাল, যদি আপনি ক্লায়েন্ট এর সুবিধার্থে আরো প্রিভিউ দেখাতে চান তাহলে Preview_01, Preview_02, Preview_03 এইভাবে রিনেম করে বিভিন্ন জেপিজি ইমেজ জিপ করে আপলোড করতে পারেন।

মেইন ফাইলের সাইজ সর্বোচ্চ্য ৩ জিবি (আগে মাত্র ১ জিবি ছিল) হতে পারে। তবে গ্রাফিকরিভার ৫০০ মেগাবাইটের উপরে কোন ফাইল আপলোডের ক্ষেত্রে FTP ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়।

ক্যাটেগরি এবং অ্যাট্রিবিউটসক্যাটেগরি এবং ফাইল অ্যাট্রিবিউটস

এরপর Category & Attributes অংশের Category অপশনে আপনার ডিজাইন কোন কোন বিভাগের অন্তর্ভূক্ত তা নির্ধারন করে দিবেন। যেমন আমরা এই ক্ষেত্রে Brochure এর অন্তর্গত Informational বা Corporate অপশনটি সিলেক্ট করব।

অন্যান্য ক্যাটেগরিতে অনেক সময় High Resolution নামে একটা অপশন আসে। সেখানে High Resolution অংশে আপনার প্রোডাক্টটি কি আইফোন বা ম্যাক এর রেটিনা ডিসপ্লের জন্য প্রস্তুত?? যদি হয় তাহলে Yes সিলেক্ট করবেন। যদি না হয় তাহলে No কিংবা Not Available সিলেক্ট করবেন।

এরপর Layered অংশে আপনি যে পিএসডি ফাইল কিংবা ইনডিজাইন ফাইল (যেগুলোতে লেয়ার সাপোর্ট করে) দিয়েছেন সেগুলো কি লেয়ার্ড?? তাহলে Yes এ ক্লিক করুন, অন্যথায় No তে ক্লিক করুন।

Graphics Files Included অংশে Main File এ কি কি ফরমেট এর ফাইল দেওয়া আছে সেগুলো সিলেক্ট করে দিবেন। একাধিক ফাইল সিলেক্ট করতে Control/Command Key চেপে ধরুন।

এরপর Minimum Adobe CS Version অংশে আপনার ফাইলগুলো অ্যাডোবির সর্বনিম্ন কোন ভার্সনটি ওপেন করতে পারে? – সেই ভার্সনটি সিলেক্ট করুন।

Pixel Dimension অথবা Print Dimension অংশে ডিজাইনটির ওয়াইডথ এবং হাইট লিখুন। লিখার ফরমেট টা হবে ওয়াইডথXহাইট। যেমন ইউএস লেটার সাইজের ব্রশিউরের জন্য আমরা লিখব 8.5×11; ফেসবুক টাইমলাইন কভারের জন্য আমরা লিখব 851×315 ইত্যাদি। পিক্সেল নাকি ইঞ্চি এগুলো লিখতে হবে না। তবে আপনি যেটা লিখবেন সেটাকে প্রায় সব জায়গায়ই পিক্সেল ধরা হবে, শুধু প্রিন্টের ক্ষেত্রে ইঞ্চিতে লিখবেন।

ট্যাগস এবং কিওয়ার্ডসট্যাগ এবং কিওয়ার্ড

Tags অংশে ৩০ টি কিওয়ার্ড লিখবেন আপনার ডিজাইনের থীমের সাথে মিল রেখে। এখানে এবং ডেসক্রিপশনে যা যা লিখবেন সেগুলো সার্চের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। সুতরাং কিওয়ার্ড সবসময় সংগতিপূর্ন লিখবেন। আপনি চাইলে ৩০টির কম লিখতে পারেন, সমস্যা নেই তবে প্রত্যেকটি কিওয়ার্ড ছোট হাতের অক্ষরে লিখতে হবে এবং একটার পর আরেকটা কমা দিয়ে লিখতে হবে (উল্লেখ্য কিওয়ার্ডে সংখ্যা অ্যালাউড নয় অর্থাৎ আপনি 10, 63, 228 ইত্যাদি সংখ্যা লিখতে পারবেন না)।

আপনার প্রোডাক্টের প্রাইসপ্রোডাক্ট প্রাইস

এই অংশে আপনার প্রোডাক্ট অর্থাৎ ট্রাভেল এজেন্সি ব্রশিউরটির জন্য মূল্য নির্ধারন করবেন। রেগুলার লাইসেন্স অংশে দেখুন দুইটি ভাগ করা হয়েছে, Item Price এবং Buyer fee। আইটেম প্রাইস অংশে যদি আপনি উদাহরনস্বরুপ ১৪ দিয়ে থাকেন তাহলে তার সাথে বায়ার ফি ১ ডলার যুক্ত হয়ে পারচেস প্রাইস হিসেবে সেটা কাস্টমারের কাছে ১৫ ডলার হিসেবে দেখানো হবে। প্রিন্ট টেমপ্লেট বা গ্রাফিকরিভারের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বায়ার ফি ১ ডলারই হয়। ক্ষেত্রবিশেষে ২-৩ ডলারও হতে পারে। থীমফরেস্টে আবার ওয়ার্ডপ্রেস থীমের বায়ার ফি হচ্ছে ১২ ডলার। যাই হোক, বায়ার ফি সম্পূর্নটাই এনভাটো কর্তৃপক্ষ নিয়ে নেবে। আপনি যে অ্যামাউন্ট বসাবেন Item Price এর বক্সে সেটার ৬২.৫% পার্সেন্ট পাবেন প্রত্যেক সেল এ।

এক্সটেন্ডেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রেও একই কথা। আপনি যা বসাবেন তার সাথে ছবিতে উল্লেখিত ৫০ ডলার বায়ার ফি হিসেবে যুক্ত হবে। এক্সটেন্ডেড লাইসেন্স কি জিনিস বা কিভাবে এক্সটেন্ডেড লাইসেন্সের প্রাইসিং করবেন সেটা বুঝতে না পারলে আপাতত আপনার মূল প্রোডাক্টের দামকে ১০ দিয়ে গুন করে সেটাকেই এক্সটেন্ডেড লাইসেন্স হিসেবে কাউন্ট করুন। যেমন আপনার প্রোডাক্টের রেগুলার প্রাইস হচ্ছে ১৪ + ১ = ১৫ ডলার। তাহলে আপনার প্রোডাক্টের এক্সটেন্ডেড প্রাইস হবে ১৫ x ১০ = ১৫০। তাহলে যেহেতু বায়ার ফি ৫০ ডলার ফিক্সড করে দেয়া আছে সেহেতু আপনি বক্সে ১০০ ডলার লিখবেন, তাহলে সেটা টোটাল হিসেবে ১৫০ ডলারই দেখাবে।

রিভিউয়ারদের জন্য মেসেজরিভিউয়ারদের জন্য মেসেজ

Message to the Reviewer এর Comments অংশে আসলে তেমন কিছু লিখা লাগেনা। তবে আপনি ইচ্ছা করলে আপনার ফাইল সংক্রান্ত কিছু তথ্য রিভিউয়ারকে জানাতে চাইলে জানাতে পারেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে কিছু লিখিনা।

Any images, sounds, video, code, flash, or other assets that are not my own work, have been appropriately licensed for use in the file preview or main download. Other than these items, this work is entirely my own and I have full rights to sell it on GraphicRiver.

এই অংশে আপনাকে চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিতে হবে। উক্ত লেখাটির সারমর্ম হচ্ছে – “কোন ইমেজ, সাউন্ড, ভিডিও, কোড, ফ্ল্যাশ অথবা অন্যান্য সম্পত্তি/জিনিস/ফাইল গুলো যা আমার নিজের সৃষ্ট নয় তবে যথাযথভাবে অনুমোদিত আছে ফাইল প্রিভিউ কিংবা মেইন ডাউনলোডের জন্য। অথবা এই ফাইল/জিনিস গুলি, সম্পূর্ন আমার নিজের তৈরি করা এবং আমার পূর্ন অধিকার আছে এগুলো গ্রাফিকরিভারে বিক্রি করার।

এটা পড়ে আপনি দলিলে সাইন করবেন অর্থাৎ টিক চিহ্ন দিবেন।

বিঃদ্রঃ আপনি অননুমোদিত জিনিস আপলোড করলে যখনই আপনি ধরা পড়বেন তখনই আপনাকে প্রথম ওয়ার্নিং দেয়া হবে কপিরাইটেড আইন ভঙ্গ করার জন্য এবং পরবর্তীতে একই কাজের জন্য আপনার একাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। সুতরাং যা বানাবেন সবকিছুই যাতে আপনার নিজের কেনা, তৈরি করা বা ফটোগ্রাফি করা হয়।

এরপর আর কি, Upload বাটনে ক্লিক করে ১০-১৫ দিন ওয়েট করবেন 😉

লেখক সম্পর্কে

শিমুল

নেশায় ও পেশায় গ্রাফিক ডিজাইনার। তবে নেশাটা ছড়িয়ে গেছে ফটোগ্রাফি, থ্রিডি মডেলিং, লেখালেখি এবং ঘুরাঘুরিতেও। কাজ থাকুক আর নাই থাকুক সারাদিন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করি। এছাড়া মাঝে মাঝে গ্রাফিওরাতে আড্ডা দেই।

Recent Posts

Recent Comments

Archives

Categories

Pin It on Pinterest

Shares
Share This