একটি স্বপ্নভঙ্গের গল্প

ঐ তো এসেছে, মেয়েটি আবার এসেছে আজকে। সেই মেয়েটিই তো। ডাগর ডাগর চোখ, তালপাতার বাঁশির মত নাক, পাতলা ঠোঁট, হালকা শ্যামা গায়ের রং আর কোমর পর্যন্ত লম্বা চুল। ঠিক কালকের মতই আমার পাশে বসল। কথা বলবো? না থাক, আমার কি ঠ্যাকা? কিছুক্ষন কেটে গেলো চুপচাপ। হঠাৎ মেয়েটি আমাকে বললো “আপনার কাছে কলম হবে?” আমি উত্তর দিলাম, “ক্লাসেই যাই কলম ছাড়া আর এই লেকের পাড়ে কলম নিয়ে বসে থাকবো?” মেয়েটির মুখ শুকিয়ে গেলো, চিন্তিত কন্ঠে বললো “খুব দরকার ছিল একটা কলম।”

আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। উঠে বসলাম, পানি খেলাম। একটা সিগারেট ধরিয়ে ফুসফুসটা ভর্তি করে ধোঁয়া টেনে নিলাম! আজকে দিয়ে ৩ দিন এই স্বপ্ন দেখলাম। প্রথম দিন মেয়েটা এসে শুধু আমার পাশে বসেছিল। পরের দুইদিন কলম চাইলো এবং ঠিক একই জায়গায় আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। কিন্তু এর মানে কি? কে এই মেয়ে? কি দরকার তার কলমের? একটু পরই ফজরের আযান কানে আসলো। নাহ্ আর ঘুমাবো না, এখন ঘুমালে সকালের ক্লাসটা মিস হয়ে যাবে। পিসিটা চালু করে ফেসবুকে ঢুকলাম। দেখি রাসেল অনলাইনে। এই বান্দরটা কি সারারাত ঘুমায়না নাকি? টেক্সট পাঠালাম “কিরে বেটা ঘুমাসনা?” রিপ্লাই দিল “নারে দোস্ত”, “ক্যান?” “ঘুম আহেনা” “ঘুমের ওষুধ খা বেটা” “তুই এই টাইমে অনলাইনে ক্যান?” “স্বপ্ন দেইখা ঘুম ভাঙ্গছে” “কি স্বপ্ন দেখছস?” “একটা মাইয়া” “তাই নাকি? দেখতে কেমন” “পরে কমু, ম্যালা কাহিনী আছে” তারপর বেশ কিছুক্ষন রাসেলের আর কোন টেক্সট নাই। একটু পর দেখি মোবাইল ফোনের আলো জ্বলছে, স্ক্রিনে ভেসে আছে “রাসেল কলিং” রিসিভ করলাম। রাসেল বললো “কি হইছে এখন ক” আমি কিছুটা অবাক হয়ে বললাম তুই এটা শোনার জন্য এখনি ফোন দিছস? “দোস্ত, তুই তো জানসই আমি মাইয়াগো ব্যাপারে একটু বেশি ইন্টারেষ্টেড সেটা স্বপ্নের মাইয়া হোক আর বাস্তবের হোক” বলেই হা হা করে হেসে উঠল ফাজিলটা। আমি বললাম “হুম বুঝছি, কাহিনী হইলো আমি পরপর তিন রাত একই মাইয়ারে স্বপ্ন দেখছি” “ভালো তো, প্রবলেম কোথায়?” জানতে চাইলো রাসেল। “প্রবলেম হইল মাইয়া প্রথমদিন আমার লগে কোন কথা কয়নি। কিন্তু পরের দুইদিন কলম চাইছে” উত্তর দিলাম আমি। “কি চাইছে? কলম?” অবাক হয়ে জানতে চাইলো রাসেল। আমি বললাম “হুম, খুব পড়ুয়া মাইয়া মনে হয়” “কেমনে বুঝলি? তোরে ফোন নাম্বার দেওয়ার জন্যেও তো কলম চাইতে পারে।” হাসতে হাসতে বলে রাসেল। “ঐ গাধা ফোন নাম্বার দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে তো খালি নাম্বার কইলেই পারে, আমি ফোনে সেভ কইরা নিতে পারুমনা?” কিছুটা রাগত স্বরে বলি আমি। “হুম, তাও তো কথা। তোরে একটা বুদ্ধি দেই” কিছুটা কৌতুকমিশ্রিত কন্ঠে বলে রাসেল। আমি বলি “কি বুদ্ধি?” “এখন থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্যান্টের পকেটে কলম রাখিস, চাইলেই দিতে পারবি” বলেই হা হা করে হাসতে থাকে রাসেল। “বহুত ফাইজলামি করছস, ফোন রাখলাম” বলেই ফোন রেখে দিলাম আমি। শয়তানটাকে যে ক্যান বলতে গেলাম। হারামিটা এখন ভার্সিটির সবার কাছে এই ঘটনা বলে দেবে এবং সেটা আরও রং চং মেখে।

সারাটা দিন ভালোই কাটলো। খালি ভার্সিটিতে কয়েকজন জানতে চাইলো “কিরে? তোর কাছে নাকি স্বপ্নে এক মাইয়া আইসা ফোন নাম্বার চায়?” রাসেলের কাজ এটা। কুত্তাটা কলম রে একেবারে ফোন নাম্বার বানিয়ে দিয়েছে। রাতে ফেসবুকে ঢুকলাম। দেখি রাসেল আমার ওয়ালে পোষ্ট করে গেছে “দোস্ত, অবশ্যই কলম সাথে নিয়ে ঘুমাইতে যাস। জেল কলম হলে বেশি ভালো হয়” বুঝলাম শয়তানটা ভালো ভাবেই আমার পিছে লাগছে। লগআউট করে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি হঠাত্ চিন্তা হল সত্যি সত্যি রাসেলের কথামত সাথে কলম নিয়ে ঘুমাইতে যাবো নাকি? নিজের উপর নিজেরি রাগ লাগলো। কি আবোল তাবোল ভাবছি আমি? একটা স্বপ্ন নিয়ে এত সিরিয়াস হওয়ার কোন মানে আছে? লোকে জানলে বলবে কি? পরক্ষনেই মনে হল এটা কি সত্যিই শুধু একটা স্বপ্ন। তাহলে প্রত্যেকদিন কেনো? সাথে কলম নিয়ে ঘুমাইলে তো কোন ক্ষতি নাই। আর তাছাড়া লোকে জানবেই বা কেমনে। শেষ পর্যন্ত আবেগের কাছে যুক্তির পরাজয়। প্যান্টের পকেটে কলম নিয়েই আমি ঘুমাতে গেলাম।

ঘুম ভাঙ্গল সকাল আটটায়। আজ রাতে কোন স্বপ্ন দেখিনি। পরপর দুইদিন কলম না পেয়ে মাইয়া কি রাগ করলো নাকি? বড়ই চিন্তার বিষয়। একে একে দিন কাটতে লাগলো। আমি আর সেই স্বপ্ন দেখিনা। কিন্তু প্যান্টের পকেটে কলম নিয়ে ঘুমাতে যাওয়াটা আমার অভ্যাসে পরিনত হল। ঠিক আট দিন পর আবার সেই স্বপ্ন দেখলাম। সেই ডাগর চোখ আবার আমার পাশে এসে বসলো তবে এবার আর সেই লেকের পাড়ে না। এবার একটা খোলা মাঠে। বসে কিছুক্ষন চুপচাপ থাকলো। তারপর জিগ্যেস করলো “একটা কলম হবে?” আমি স্বপ্নের মধ্যেই জবাব দিলাম “জ্বী, আপনার জন্যে আমি এখন প্রত্যেকদিন কলম নিয়ে ঘুমাতে আসি। আপনে এতদিন আসেন নাই ক্যান?” মেয়েটি বলে “আমি প্রত্যেকদিনই এসেছিলাম কিন্তু আপনাকে পাইনি। আপনে যে লেকের পাড় বাদ দিয়ে এখন এই মাঠে বসেন সেটা তো আমি জানিনা। এই আটদিন অনেক খোঁজাখুঁজি করে আজ আপনাকে পেলাম” আমি কোন জবাব না দিয়ে প্যান্টের পকেটে হাত দিলাম কলম দেওয়ার জন্য। কিন্তু কি আশ্চর্য, আমার পকেটে কোন কলম নাই। আমার স্পষ্ট মনে আছে রাতে ঘুমানোর সময় কলম নিয়ে ঘুমাইছিলাম। ঘুম ভেঙ্গে গেলো। দেখি মাথার উপর ফুল স্পিডে ফ্যান ঘোরার পরও আমার সারা শরীর ঘামছে। প্যান্টের পকেটে হাত দিলাম। পকেটে কলম আছে। শুনলাম ফজরের আযান ভেসে আসছে……..!

সারাদিন অনেক ভাবলাম স্বপ্ন টা নিয়ে।  ভেবে চিন্তে গেলাম দোকানে, ১০০ পিস কলম কিনি আনলাম রাতে ঘুমানোর আগে আমার চারপাশে কলমগুলো ছিটিয়ে দিয়ে ঘুমুতে গেলাম। সে আসলো। এসে বসলো আমার পাশে। একটু পর বললো “একটা কলম হবে?” আমি বললাম “একটা না, একশটা হবে” তারপর আশেপাশে অনেক খুজলাম কিন্তু কোন কলম পাইলামনা। তারপর মেয়েটাকে জিগ্যেস করলাম “আচ্ছা আপনে প্রত্যেকদিন কলম চান ক্যান। কলম দিয়ে আপনে করবেনটা কি?” “আমার ফেসবুক আইডিটা আপনাকে লিখে দেবো” উত্তর দিলো মেয়েটি। “লিখে দেওয়ার প্রয়োজন কি? আমার মেমোরী অনেক শার্প,আপনে  বলেন আমি মনে রাখতে পারবো” কিছুটা রাগতস্বরে বললাম আমি। এই কথাটা এতদিন না বইলা অযথা কলম কলম করে চিল্লাইছে। “পারবেন না। আপনার মেমোরী যতই শার্প হোক,  স্বপ্নের সব কথা আপনার মনে খাকবে কিন্তু আমি যদি সরাসরি আইডিটা বলি সেটা আপনার মনে থাকবেনা ঘুম ভাঙ্গার পর। যদি আপনি আমাকে একটা কলম দিতে পারতেন তাহলে আমি আইডিটা লিখে দিতাম তখন ঘুম ভাঙ্গার পর আপনি সেটা পাইতেন” করুন কন্ঠে কথাগুলো বললো মেয়েটি। “তাইলে এখন উপায়?” জানতে চাইলাম আমি। “উপায় একটাই। যদি কোনদিন আপনে বুঝতে পারেন আমি আপনার কে, তাহলে আমি আপনার যা সেই নামে সার্চ দিয়েন ফেসবুকে।” বললো মেয়েটি।

“তুমি আমার কে সেটা তুমি আমাকে বললেই পারো। আমাকে খুজে বের করতে হবে ক্যান?” ব্যাগ্র কন্ঠে জানতে চাইলাম আমি। সেটা আমি বলতে পারবোনা, সেটা আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। ঘুম ভেঙ্গে গেলো আমার। একের পর এক সিগারেট শেষ করছি আর চিন্তা করছি সে আমার কে? কিছুতেই কিছু খুঁজে পাইতেছিনা। মাথার চুল টেনে ছিড়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে।

সেদিন  রাতে তাকে আর স্বপ্নে দেখলামনা। সকালে ঘুম ভেঙ্গে কেনো জানি আমার কান্না পেতে লাগলো। সারাদিন শুধু মাথায় একটাই চিন্তা, সে আমার কে? যত দিন যাইতে লাগলো আর আমি তত পাগলের মত হতে লাগলাম। কিছুতেই বুঝতে পারিনা সে আমার কে, এদিকে সেও আর স্বপ্নে আসেনা। কেটে গেলো প্রায় একমাস। সব মিলিয়ে আমি যখন প্রায় পুরা পাগল হওয়ার পথে তখন একদিন ভার্সিটিতে বসে চিন্তা করতেছি সে আমার কে। কই থেকে জানি রাসেল এসে আমার পিঠে একটা থাবা মেরে বলল “কিরে দোস্ত? তোর সেই স্বপ্নকন্যার কি খবর? এখনো কলম চায় নাকি মার্কার চায়?” আমি চমকে উঠলাম। “কি বললি তুই? স্বপ্নকন্যা? হ্যাঁ দোস্ত, সে আমার স্বপ্নকন্যা” চিত্কার দিয়ে বললাম আমি। রাসেল কিছুই না বুঝে হা করে তাকিয়ে থাকলো। আমি দৌড় দিলাম।

বাসায় এসেই পিসি চালু করে ফেসবুকে ঢুকলাম। “স্বপ্নকন্যা” লিখে সার্চ দিলাম। হাজার হাজার রেজাল্ট আসল। এত আনন্দ সব মাঠে মারা গেলো। তারপর চিন্তা করলাম সবগুলা প্রোফাইল চেক করবো। চেক করা শুরু করলাম। বিভিন্ন রংয়ের, বর্নের, পোশাকের মেয়েদের ছবি দেখতে পেলাম কিন্তু আমার সেই স্বপ্নকন্যার দেখা নাই। এভাবে চেক করতে করতে যখন মনে হতে লাগলো সে বুঝি আমার স্বপ্নকন্যা না অন্যকিছু ঠিক তখনই একটা প্রোফাইল পিকচারে চোখ আটকে গেলো।  এইতো সেই মেয়ে। ডাগর ডাগর চোখ, তালপাতার বাঁশির মত নাক, পাতলা ঠোঁট, হালকা শ্যামা গায়ের রং আর কোমর পর্যন্ত লম্বা চুল। ইনফরমেশন এ শুধু দেওয়া আছে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রী আর তেমন কোন গুরত্বপূর্ন তথ্য দেওয়া নাই। ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠালাম আমি। ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠানোর পরও ঘন্টা খানেক ফেসবুকে বসে থাকলাম যে এরমধ্যে একসেপ্ট করে কিনা দেখার জন্য। কথা বলার জন্য ধৈর্য্য যে আর ধরছিলনা। একসেপ্ট করলনা, ফেসবুক থেকে বের হয়ে আসলাম। রাতে ফেসবুকে ঢুকেই নোটিফিকেশান পাইলাম “স্বপ্নকন্যা একসেপ্টেড ইউর ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট” শিরদাঁড়া দিয়ে একটা শিতল স্রোত বয়ে গেলো । অনেকক্ষন অপেক্ষা করলাম অনলাইনে আসে নাকি তার জন্য কিন্তু পেলামনা। একটা মেসেজ দিলাম যে আগামীকাল ঠিক রাত ১০টায় আমি অনলাইনে থাকবো, আপনিও থাকবেন প্লীজ।

পরদিন রাত ১০টায় ফেসবুকে ঢুকলাম দেখি অনলাইনে সে নাই। অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যখন লগআউট করবো তখন অনলাইন লিস্টে দেখি স্বপ্নকন্যা। কাঁপা কাঁপা হাতে টেক্সট পাঠালাম “হাই” বেশকিছুক্ষন পর রিপ্লাই পাইলাম “হ্যালো”, কি বলবো বুঝতে পারছিলামনা।

লিখলাম “কোন সাবজেক্টে পড়েন? উত্তর আসলো “কোন সাবজেক্টেই পড়িনা”

~মানে
-আমি আগামীবছর ইন্টারমিডিয়েট দিব

~তাইলে যে ইনফো তে দেখলাম ঢাবি তে পড়েন
-আসলে এটা আমার প্রোফাইল না।

~কার প্রোফাইল??
-আমার আপুর

~আপনার আপু কই??
-না ফেরার দেশে

~মানে………???
-প্রায় একমাস আগে আপু মারা গেছে

~কি ভাবে?
-ব্লাড ক্যান্সার হয়েছিল।

~আপনি আপনার আপুর একাউন্টে কেনো আসেন?
-আপুর স্বপ্নপুরুষের জন্য।

~কিছু মনে না করলে একটু পরিস্কার করে বলবেন?
-আপু দীর্ঘদিন অসূস্থ্য হয়ে পড়ে ছিল

~হুম
-এইসময় আপু প্রায় রাতেই স্বপ্নে একটা ছেলেকে দেখতো সেই ছেলেটাকে আপু তার ফেইসবুক আইডি দিয়েছিল স্বপ্নের মধ্যেই

~হুম
-কিন্তু আইডিটা আপু সরাসরি দিতে পারেনি

~কেনো……..???
-কারন স্বপ্নের মধ্যে আইডি টা কিছুতেই মুখে আসত না, তাই আপু নাকি তাকে সাংকেতিক ভাবে আইডিটা দিয়েছিল, আপুর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার স্বপ্নপুরুষের জন্য অপেক্ষা করেছে; মৃত্যুর একঘন্টা আগেও আপু ফেসবুকে এসেছে! তার বিশ্বাস ছিল সেই মানুষটা একদিন না একদিন আপুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠাবেই। আমি আপুর পাসওয়ার্ড জানতাম, তার মৃত্যুর পর আমি প্রত্যেকদিন একবার করে আসি আপুকে কে কে ফ্রেন্ড রিকোয়েষ্ট পাঠায় সেটা দেখার জন্য কারন হয়ত এদের মধ্যেই একজন আপুর সেই স্বপ্নপুরুষ।

~আপনার নাম কি……..???
-মৃদুলা

 

আর আপনার আপুর নাম………..???
জিগ্যেস করতে যেয়েও করলামনা……!!!

থাক, তার নাম জানার দরকার নাই। তার নাম তো স্বপ্নকন্যা। সে তো শুধুই  আমার স্বপ্নকন্যা।

বিঃ দ্রঃ গল্পটা আমার অনেক পছন্দের একটা গল্প। অনেক আগে এটা পড়ে একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম- একটা গল্প এত্তো সুন্দর হয় কি করে? আজকে আবার লিংক পেয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। গল্পটা ফাহাদ নামে এক ভাইয়ের লিখা, আমি উনার লিংকটা খুজে পাচ্ছিনা, খুজে পেলে এড করে দিব।

লেখক সম্পর্কে

শিমুল

নেশায় ও পেশায় গ্রাফিক ডিজাইনার। তবে নেশাটা ছড়িয়ে গেছে ফটোগ্রাফি, থ্রিডি মডেলিং, লেখালেখি এবং ঘুরাঘুরিতেও। কাজ থাকুক আর নাই থাকুক সারাদিন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করি। এছাড়া মাঝে মাঝে গ্রাফিওরাতে আড্ডা দেই।

Recent Posts

Recent Comments

Archives

Categories

Pin It on Pinterest

Shares
Share This